১৯শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ| ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ| ১০ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি| রাত ৪:৪১| শীতকাল|
শিরোনাম:
বর্ণাঢ্য আয়োজনে চকরিয়ায় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মহেশখালী কেরুনতলী পাহাড়ে মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযানে মদ,অস্ত্রসহ ৪জন আটক। চকরিয়ায় ৫দিন ব্যাপী হস্তশিল্প ও দেশীয় পণ্য মেলা সমাপ্ত মাতামুহুরিতে সাহারবিল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠিত। স্মার্ট সিটিজেন উপহার দিবে ছাত্রলীগ সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় স্বীকৃতি স্বরুপ সম্মাননা স্মারক পেলেন হাফেজ আমানুল্লাহ। পেকুয়ায় নতুন বছরের বই বিতরণ উৎসব পালিত পেকুয়া যেন চুরের নগরী! দিন দিন বাড়ছে চুরির ঘটনা মুক্তি পেয়ে সাহারবিলের জনগণের ভালবাসায় সিক্ত ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসাইন। চকরিয়া জমজম হাসপাতালে মহান বিজয় দিবস ও সেবা মাসের উদ্ভোদনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ 🌍

প্রতিদিনের কক্সবাজার ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, জুন ১১, ২০২২,
  • 70 বার

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাবন্দি থাকার পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন তিনি। উল্লেখ্য, ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ইয়াজউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পূর্বমুহূর্তে জাতির উদ্দেশে তিনি একটি চিঠি লিখে যান; যা পরদিন জাতীয় দৈনিকগুলো ফলাও করে প্রকাশ করে। সেদিন শেখ হাসিনা নির্ভীকচিত্তে জাতির উদ্দেশে অবিস্মরণীয় উক্তি করেছিলেন-

‘…অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন। যে যেভাবে আছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন। সত্যের জয় হবেই। আমি আছি আপনাদের সঙ্গে, আমৃত্যু থাকব। আমার ভাগ্যে যা-ই ঘটুক না কেন, আপনারা বাংলার জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যান।’

কারাগারে থাকাকালে শেখ হাসিনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। সে সময় চিকিৎসার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তার মুক্তির দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও দেশবাসীর আন্দোলন, আপসহীন মনোভাব এবং অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

মনে রাখা দরকার, সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যার মুক্তি না হলে অগণতান্ত্রিক সরকার অতীতের মতো দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকত, স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না, দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল হতো না, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হতো না, এগোত না উন্নয়নের ধারা। সে কারণে বাঙালি ও বাংলাদেশের রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে আজকের দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনটি কেবল শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসই নয়, এটা গণতন্ত্রেরও ফের মুক্তি দিবস।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ