২০শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ| ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ| ১১ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি| বিকাল ৫:০৯| শীতকাল|
শিরোনাম:
বর্ণাঢ্য আয়োজনে চকরিয়ায় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মহেশখালী কেরুনতলী পাহাড়ে মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযানে মদ,অস্ত্রসহ ৪জন আটক। চকরিয়ায় ৫দিন ব্যাপী হস্তশিল্প ও দেশীয় পণ্য মেলা সমাপ্ত মাতামুহুরিতে সাহারবিল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি গঠিত। স্মার্ট সিটিজেন উপহার দিবে ছাত্রলীগ সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় স্বীকৃতি স্বরুপ সম্মাননা স্মারক পেলেন হাফেজ আমানুল্লাহ। পেকুয়ায় নতুন বছরের বই বিতরণ উৎসব পালিত পেকুয়া যেন চুরের নগরী! দিন দিন বাড়ছে চুরির ঘটনা মুক্তি পেয়ে সাহারবিলের জনগণের ভালবাসায় সিক্ত ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসাইন। চকরিয়া জমজম হাসপাতালে মহান বিজয় দিবস ও সেবা মাসের উদ্ভোদনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

২৯টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একযোগে ‘বাড়ি চলো’ সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : রবিবার, জুন ১৯, ২০২২,
  • 48 বার

২৯টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একযোগে ‘বাড়ি চলো’ সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা
ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন – কক্সবাজার

১৯ দফা দাবীতে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ২৯টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোববার সকাল ১১ টায় একযোগে সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। যার মধ্যে উখিয়ার ২৭টি ক্যাম্প এবং টেকনাফের ২৬ ও ২৭ নম্বর ক্যাম্পে নানারকম প্ল্যাকার্ড নিয়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনসহ ১৯ দফা দাবী উত্থাপন করা হয়।
সকাল ১১ টা থেকে ক্যাম্পের বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে রোহিঙ্গারা অবস্থান নিতে শুরু করে। তারা নিজেদের রোহিঙ্গা জাতির স্বীকৃতির দাবীর পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের দাবী জানান।
সমাবেশে রোহিঙ্গারা জানান, মিয়ানমারের গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী তারা। তারা স্বদেশেই ফিরতে ইচ্ছুক। তবে এ ক্ষেত্রে নিরাপদ প্রত্যাবাসন চান তারা। কোন ধরনের সংগঠনের নাম না থাকলেও আয়োজক হিসেবে নিযাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বলে উল্লেখ করা হয়। বৃষ্টি হওয়ায় আধাঘন্টার মধ্যে শেষ করা হয় এ কর্মসূচি। একযোগে ২৯টি ক্যাম্পে এ সমাবেশ হলেও কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
প্রতিটি ক্যাম্পে হাজার থেকে ৫০০ রোহিঙ্গা খন্ড খন্ড জমায়েত হয়ে এ সমাবেশ করে।
সমাবেশে উত্থাপিত দাবীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল পূর্ণ নাগরিক মযাদায় নিজ দেশ মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসন, ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাতিসংঘ, আশিয়ান, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সম্পৃক্ততা, গ্রামে গ্রামে প্রত্যাবাসন, প্রত্যেকের নিজের ভিটেমাটি, জমি-জমা ফেরতসহ নানা দাবী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ